# bn/65lI11dAvWx6.xml.gz
# srp/65lI11dAvWx6.xml.gz


(src)="1"> আমি সমাজ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে কিছু কৌতূহলোদ্দীপক জিনিস লক্ষ্য করেছি । যেকোন বিপজ্জনক কিছুর জন্য বৈধতা অনুমতির দরকার হয় । যেমন গাড়ি চালাতে শেখা , একটি বন্দুক কেনা , বিবাহ করা । ( হাসি ) আসলেই তা সবকিছুর ক্ষেত্রে সত্যি কেবলমাত্র প্রযুক্তির ছাড়া । কিছু কারণে , এটার জন্য কোন আদর্শ সিলেবাস নেই , কোন প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নেই । তারা খালি আপনাকে আপনার কম্পিউটার দিয়ে দেয় এবং তারপর আপনাকে বের করে দেয় । আপনি তা কিভাবে শিখবেন ? অসমোসিসের মত করে । কেউ কখনও বসে থাকে না এবং আপনাকে বলবে , " এইযে এভাবে এটা কাজ করে । " তাই আজ আমি আপনাদের ১০টা জিনিস বলতে যাচ্ছি যা আপনারা ভাবতেন যে সবাই জানে , কিন্তু দেখা যাচ্ছে এসব কেউই জানে না । ঠিক আছে , প্রথমত , ওয়েবে , আপনি যখন ওয়েবে এবং আপনি যখন নিচে নামতে চান , মাউস ধরবেন না এবং স্ক্রলবার ব্যবহার করবেন না । সেটা একটা ভয়াবহ সময় নষ্টের ব্যাপার । আপনি এটা করবেন যদি আপনাকে ঘন্টা প্রতি বেতন দেওয়া হয় । এর পরিবর্তে স্পেসবার চাপুন । স্পেসবার এক পেজ নিচে আপনাকে নিয়ে যাবে । সিফট বোতামটা চেপে ধরে থাকুন উপরের পেজে যেতে । সুতরাং এক পেজ নামতে স্পেসবার । এটা যেকোন কম্পিউটারের যেকোন ব্রাউজারে কাজ করবে । এছাড়াও ওয়েবে আপনি যখন কোন এইরকম ফর্ম পুরন করছেন যেমন আপনার ঠিকানা আমি ধরে নিচ্ছি আপনি ট্যাব বোতামটায় চাপ দিয়ে কিভাবে এক বক্স থেকে অন্য বক্সে যেতে হয় তা জানেন । কিন্তু যে পপ- আপ তালিকা এসে পড়ে যেখানে আপনি আপনার বিভাগ দেন তার ক্ষেত্রে ? পপ- আপ তালিকা খুলবেন না । সেটা আপনার ক্যালরির এক ভয়াবহ অপচয় । আপনার বিভাগের নামের প্রথম অক্ষরটি লিখুন , যতক্ষণ না পাচ্ছেন ততক্ষণ লিখতে থাকুন । সুতরাং আপনি যদি কানেক্টিকাট চান , সি , সি , সি লিখুন । আপনি যদি টেক্সাস চান , লিখুন টি , টি এবং আপনি সাথে সাথেই পেয়ে যাবেন এমনকি পপ- আপ মেন্যুও ওপেন করতে হবে না আপনাকে । এছাড়া ওয়েবে , যখন লেখাগুলো খুবই ছোট , আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে কন্ট্রোল বোতাম ধরে থেকে চাপ দিন প্লাস , প্লাস , প্লাস । যতবার প্লাস চাপ দিবেন তত বার লেখা বড় হতে থাকবে । এটা সব কম্পিউটারেই কাজ করে , সব ওয়েব ব্রাউজারে , অথবা মাইনাস , মাইনাস , মাইনাস যদি আবার ছোট পেতে চান । আপনি যদি অ্যাপল এর ম্যাক ব্যবহার করেন , কন্ট্রোলের বদলে কমাণ্ড ব্যবহার করবেন । আপনি যখন ব্ল্যাকবেরী , অ্যাণ্ড্রয়েড , আইফোন থেকে লিখছেন আপনার যতিচিহ্ণ লিখবার জন্য যতিচিহ্ন লে- আউটে যাবার দরকার নেই দাড়ি দেবার জন্য এবং এরপর একটি স্পেস এবং এরপর পরের শব্দটির প্রথম অক্ষর বড় হাতের লেখার জন্য । শুধুমাত্র স্পেসবারটা দুইবার চাপুন । ফোন আপনার হয়ে পিরিয়ড , স্পেস এবং বড় অক্ষর বসায় । শুধু স্পেস , স্পেস । এটা সত্যি চমৎকার । এছাড়া মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে , সকল ফোনেই আপনি যদি কাউকে আবার ফোন করতে চান যাকে আপনি আগে ফোন করেছিলেন , আপনার যা করতে হবে তা হচ্ছে কল বোতামে চাপ দিন , এবং তা আপনার শেষ ফোন নাম্বারকে বক্সে এনে দেয় , এবং এই সময় আপনি আবার কল বোতামে চাপ দিন , দেখবেন ফোন যাচ্ছে । তাই আপনার সাম্প্রতিক কললিষ্টে যেতে হবে না , তাই আপনি যদি কাউকে ফোন করতে চাচ্ছেন , আপনি শুধুমাত্র কল বোতামে চাপ দিন । এইযে , এটা এমন এক জিনিস যা আমাকে পাগল করে ফেলে । যখন আমি আপনাকে কল করি এবং আপনার ভয়েস মেইলে একটা মেসেজ রেখে যাই , আমি আপনাকে বলতে শুনি , " মেসেজ রেখে যান । " এবং এরপর আমাকে ১৫ সেকেণ্ড ধরে নির্দেশনা দেওয়া হয় , যেন মনে হয় ৪৫ বছর ধরে আমাদের এন্সারিং মেশিন ছিল না !
(trg)="1"> Primijetio sam nešto zanimljivo u vezi sa društvom i kulturom .
(trg)="2"> Sve što je rizično zahtijeva dozvolu , učenje vožnje , posjedovanje oružja , vjenčavanje .
(trg)="3"> ( Smijeh )

(src)="2"> ( হাসি ) আমি তিক্ত নই । তাহলে দেখা যাচ্ছে যে একটি কিবোর্ড শর্টকার্ট আছে যা আপনাকে সরাসরি ´বিপ´এর কাছে নিয়ে যায় । এন্সারিং মেশিনঃ টোনের পরপরই- বিপ । ডেভিড পোগঃ দুর্ভাগ্যজনকভাবে , ক্যারিয়ারসমূহ একই সংক্ষেপ বা শর্টকার্ট গ্রহণ করেনি , তাই বিভিন্ন কোম্পানির জন্য বিভিন্ন । তাই এই কাজের জন্য আপনার উপর নির্ভর করছে আপনি যে মানুষটিকে ফোন দিচ্ছেন তার কোম্পানির উপর । আমি কিন্তু বলিনি এটা সম্পূর্ণ পারফেক্ট হবে । ঠিক আছে , আপনাদের অধিকাংশ মনে করে গুগুল হচ্ছে যেকোন ওয়েবপেজ দেখার জন্য , কিন্তু তা অভিধান হিসেবেও কাজ করে । যেমন ´define´ শব্দটি লিখুন এবং এরপর যে শব্দটি সম্পর্কে আপনি জানতে চান তা লিখুন । আপনার কিন্তু কোন কিছুতে ক্লিকও করতে হবে না । সংজ্ঞা যখনই আপনি টাইপ করছেন এসে পড়ে । এ ছাড়াও এটি একটি সম্পূর্ণ এফএএ ডাটাবেজ । এয়ারলাইনের নাম এবং ফ্লাইটের নাম টাইপ করুন । আপনি দেখতে পাবেন ফ্লাইটটি কোথায় , গেট নাম্বার , টার্মিনাল নাম্বার , কতক্ষণে তা অবতরণ করবে । আপনার এর জন্য কোন অ্যাপের দরকার নেই । এটা আবার একটি একক এবং মুদ্রা রূপান্তর । আবার , আপনাকে যেকোন ফলাফলে ক্লিক করতে হবে না । খালি বক্সটিতে টাইপ করুন এবং এইযে আপনার উত্তর । আমরা যখন বিষয়বস্তু নিয়ে কথা বলছি , আপনি যখন হাইলাইট করতে চান -- এটা শুধুই একটি উদাহরণ । ( হাসি ) আপনি যখন একটি শব্দকে হাইলাইট করতে চান । দয়া করে নিজের জীবনটাকে একে টেনে নষ্ট করবেন না একজন শিক্ষানবিসের মত মাউস টেনে । দুইবার ক্লিক করুন শব্দটিতে । ২০০ দেখুন । আমি ডাবল ক্লিক করি । একদম নিঁখুতভাবে শব্দটিকে সনাক্ত করে । আরও , যা হাইলাইট করেছেন তা মুছে ফেলবেন না । আপনি তার উপরেই টাইপ করতে পারবেন । এটা সকল প্রোগ্রামেই । আরও , আপনি ডাবল ক্লিক করতে পারেন , টেনে একটি শব্দ করে হাইলাইট করতে থাকুন । আরো অনেক নিঁখুত । আবার , মুছে ফেলার কষ্ট করবেন না । এর উপরে খালি লিখুন । ( হাসি ) শাটারের বিলম্বকাল হচ্ছে সেই সময় যা শাটার বোতামে চাপ দেওয়া এবং ক্যামেরা যে সময়ে ছবিটি নেয় তার মধ্যেকার দূরত্ব । ১০০০ ডলারের নিচের যেকোন ক্যামেরায় এটা অতি ব্যাহতকারী এক বিষয় । ( ক্যামেরার ক্লিক ) ( হাসি ) এর কারণ ক্যামেরার সময় লাগে ফোকাস এবং আলোকসম্পাতের সময়কাল পরিমাপ করতে , কিন্তু আপনি যদি একটু আগে ফোকাস করেন আলতো চাপ দিয়ে , এবং আঙ্গুল চেপে ধরেন পরে , কোন শার্টার সময়ের বিলম্ব ঘটে না ! আপনি এখন তা সব সময় পাবেন । আমি এই মাত্র আপনার ৫০ ডলারের ক্যামেরাকে ১০০০ ডলারের ক্যামেরায় পরিণত করেছি একটু কৌশল খাটিয়ে । এবং শেষ কৌশল হিসেবে , এটা অনেক সময় ঘটে যে আপনি হয়তো কোথাও বক্তৃতা দিচ্ছেন এবং কোন কারণে শ্রোতারা স্লাইডের দিকে তাকিয়ে আছে আপনার দিকে না তাকিয়ে !
(trg)="41"> ( Smijeh )
(trg)="42"> Nijesam ogorčen .
(trg)="43"> Izgleda da postoji prečica na tastaturi koja dopušta da odmah dođete do pištanja .

(src)="3"> ( হাসি ) এরকম যখন হয় , এটা ঘটে কিনোটে , পাওয়ার পয়েন্টে , এটা সকল প্রোগ্রামেই ঘটে , আপ্নারা যা করবেন তা হচ্ছে বি অক্ষরে চাপ দিবেন , বি হচ্ছে ব্ল্যাকাউটের আদ্যক্ষর , স্লাইড পুরো অন্ধকার হয়ে যাবে এবং সবাই তখন আপনার দিকে তাকাবে , এবং আপনি যখন আবার শুরু করতে চাইবেন আপনি আবার বি চাপুন , এবং আপনার যদি গতি থাকে , আপনি ডাব্লিউ বোতামে চাপ দিতে পারেন , পুরো সাদা হয়ে যাবে স্ক্রীন , এবং তারপর আপনি আবার ডাব্লিউ চাপ দেন স্লাইড ফিরে আসবে । সুতরাং আমি জানি আমি খুব তাড়াতাড়িই করছি । আপনি যদি কোন কিছু বুঝতে না পেরে থাকেন , আমি আপনাকে অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই কৌশলগুলো পাঠাতে পারি । এরমধ্যে সবাইকে অভিনন্দন । আপনারা সবাই আপনাদের ক্যালিফোর্নিয়া প্রযুক্তির অনুমতিপত্র পেয়ে গেছেন । একটি চমৎকার দিন উপভোগ করুন । ( হাততালি )
(trg)="82"> ( Smijeh )
(trg)="83"> Kada se to desi , ovo radi u programima Keynote , Powerpoint , radi u svakom programu , samo pritisnete taster B ,
(trg)="84"> B za " blackout " ( pomračenje ) , da zamračite slajd i učinite da svi gledaju u Vas i onda kada ste spremni da nastavite ponovo pritisnete B i ako ste stvarno raspoloženi , možete pritisnuti W za izbjeljivanje ( whiteout ) i slajd će postati bijeli i onda ponovo W da biste vratili sadržaj .

# bn/bkRJcvVMdcxU.xml.gz
# srp/bkRJcvVMdcxU.xml.gz


(src)="1"> আসুন ছবির ফিলটারের সাথে পরিচিত হই আহ , সান ফ্রান্সিসকোঃ অবকাশ যাপনের হাজারো ছবির এক স্থান । এবং এইযে ফিল ! ফিলের মোবাইল ছবিতে ভরা এবং সে টুইটার ছবি সম্পাদক বা এডিটর দিয়ে এগুলোকে টুইট করছে । আসুন শিখি কিভাবেঃ যখন আপনি একটি টুইট লিখছেন , ফিল ক্যামেরা আইকন বা চিহ্নে চাপ দেয় এবং এরপর যে ছবিটি সে দিতে চায় তা নির্বাচন করে । এইযে এটা ! এবং এখন সে সম্পাদনা বা এডিট করার জন্য প্রস্তুত ! এইযে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন নিচে তিনটি আইকন বা চিহ্ন । প্রথমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনারস ছবিকে বড় করে দ্রুত মেরামত বা ঠিক করার জন্যে । ডানের আইকনটি আপনাকে ছবি ছোট করতে সাহায্য করে , সরাতে এবং আপনার ছবিকে ছোট- বড় এবং আসল রূপে বা বর্গাকার রূপ দিতে । সবশেষে , সবচেয়ে মাঝের অপশনটি আপনাকে একটি ফিলটার নির্বাচন করতে দেয় আপনার ছবির জন্য । যেকোন একটি ফিলটারে চাপ দিন যদি কাছে থেকে দেখতে চান অথবা পাশে সরিয়ে দিন যদি অন্য কোন ছবি দেখতে চান । এইযে নিন ! ফিলের কাজ শেষ তাই সে ´done ´ এ ক্লিক করে । এবং সে তার টুইট পাঠানোর জন্য এবং ছবি শেয়ার করার জন্য প্রস্তুত । তার চমৎকার বাছাই করা সব ছবি ভেসে উঠে টুইটারের নীড়পাতার টাইমলাইনে - চমৎকার সব স্মৃতি সমুদ্রের পাশের শহর থেকে । আমরা যারা টুইটারে আছি তারা আশা করি আপনারা আপনারা এই নতুন বৈশিষ্ট্যগুলো পছন্দ করবেন এবং সবসময়ের মত , " শুভ টুইটিং । "
(trg)="1"> Представљамо :
(trg)="2"> Фото филтере
(trg)="3"> Ах , Сан Франциско .