# bn/26WoG8tT97tg.xml.gz
# si/26WoG8tT97tg.xml.gz


(src)="1"> চীনা ভাষায় " জিয়াং " শব্দের অর্থ হল ভালো গন্ধ এটি কোনো ফুল , খাবার , সত্যি যে কোনো কিছুর বিরবণ দিতে পারে কিন্তু এটি সর্বদা জিনিসের জন্য একটি ইতিবাচক বিবরণ দেয় ম্যান্ডারিনের তুলনায় অন্য কিছুর মধ্যে অনুবাদ করা কঠিন আমাদের কাছে এই শব্দটি ফিজি- হিন্দীতে আছে যা " তালানোয়া " নামে পরিচিত আপনি শুক্রবার গভীর রাতে সত্যি এই অনুভূতিটা পেয়েছেন , আপনার আশেপাশে বন্ধুরা রয়েছে আর আপনি হাওয়াতে শ্যুটিং করছেন , কিন্তু এটি এইরকম নয় , এটি একটি উষ্ণতর এবং বন্ধুত্বপূর্ণ রুপে সামান্য কথাবার্তা এগুলি হল সেসব কিছু সম্বন্ধে যা আপনার মনে হঠাত করে এসেছে সেখানে এই গ্রীক শব্দটি আছে , " মিরাকি " যার অর্থ হল আপনি আপনার কাজটিকে আপনার মন , প্রাণ , সমগ্র সত্তা দিয়ে করুন , আপনি যা করছেন এটি আপনার শখ অথবা আপনার কাজ হতে পারে যা আপনি মন থেকে করছেন কিন্তু এটি হল একটি সাংস্কৃতিক জিনিস , যা আমি কখনও ভাল অনুবাদের মধ্যে করতে পারিনি আবেগ ও ভালবাসা সহ " মিরাকি , " আপনার শব্দ , আপনার ভাষা , যেকোনো স্থানে 70টিরও বেশি ভাষাতে টাইপ করুন
(trg)="1"> මෙම වචනය චීන භාෂාවේ තිබේ" Xiang " එහි අදහස වනුයේ
(trg)="2"> හොඳ සුවඳක් එයින් මලක් , ආහාරයක් , ඇත්තෙන්ම ඕනෑම දෙයක් විස්තර කළ හැකිය
(trg)="3"> නමුත් එය එක් එක් දේ සඳහා ධනාත්මක විස්තරයකි

# bn/4GBaUQduFsng.xml.gz
# si/4GBaUQduFsng.xml.gz


(src)="1"> কয়েক বছর আগে আমার মনে হচ্ছিল আমি যেন একটি একঘেয়ে জীবনে আটকে গিয়েছি , তাই ঠিক করেছিলাম অনুসরণ করবো বিখ্যাত আমেরিকান দর্শনিক , মর্গান স্পারলককে , আর ত্রিশ দিনের জন্য নতুন কিছু চেষ্টা করবো । পরিকল্পনাটি আসলে খুবই সাধারণ । এমন কিছু চিন্তা করা যা তুমি সবসময় নিজের জীবনে চেয়েছিলে এবং পরবতী ত্রিশ দিন সেটাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার চেষ্টা করা । দেখা গেল ত্রিশ দিনই যথেষ্ট একটি নতুন অভ্যাস গড়ে তুলতে অথবা একটি অভ্যাস বাদ দিতে -- যেমন খবর দেখা -- তোমার জীবন থেকে । এই ত্রিশ দিনের চ্যালেঞ্জ পালন করতে গিয়ে কিছু জিনিস আমি শিখেছি । প্রথমটি হল পার হয়ে যাওয়া মাস গুলো ভুলে যাওয়ার পরিবর্তে , সময় গুলো আরও বেশি মনে রাখার মত হয়ে ওঠে । চ্যালেঞ্জের অংশ হিসেবে আমি এক মাসের জন্য প্রতিদিন একটি করে ছবি তুলি । এবং এখন আমি মনে করতে পারি আমি ঠিক কোথায় ছিলাম আর ঐ দিন আমি কি করছিলাম । আমি আরও দেখলাম যে আমি যত বেশি ও কঠিন ৩০ দিনের চ্যালেঞ্জ করা শুরু করলাম , আমার আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকলো । আমি একজন টেবিলে বসে থাকা কম্পিউটার ভক্ত থেকে এমন একজন মানুষে পরিণত হলাম যে কিনা কাজে যায় সাইকেলে - মজার জন্য । এমনকি গত বছর , আমি কিলিমাঞ্জারো পাহাড়ে উঠেছিলাম , যা আফ্রিকার সর্বোচ্চ পাহাড় । আমি এরকম রোমাঞ্চকর কাজ করার কথা কখনও ভাবিনি আমার এই ত্রিশদিনের চ্যালেঞ্জ শুরু করবার আগে । আমি আরও বুঝতে পারলাম যে কেউ যদি কোনকিছু খুব বেশি করে চায় , সে তা করতে পারে ৩০ দিনের জন্য । আপনি কি কখনো কোন উপন্যাস লিখতে চেয়েছেন ? প্রতি নভেম্বরে , হাজার হাজার মানুষ চেষ্টা করে তাদের নিজেদের ৫০ হাজার শব্দের উপন্যাস লিখবার , একদম গোড়া থেকে , ৩০ দিনে । দেখা গেল , প্রতিদিনে আপনাকে ১, ৬৬৭টি শব্দ লিখতে হবে একমাস ধরে । আর সেটাই আমি করেছিলাম । আর বলে রাখি এর গোপন রহস্যটা হচ্ছে ঘুমাতে না যাওয়া যতক্ষণ না আপনি দিনের বরাদ্দকৃত অংশটি লিখছেন । আপনি হয়তো ঘুম- বঞ্চিত হবেন , কিন্তু আপনার উপন্যাসটি শেষ হবে । তার মানে কি আমার বইটা যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বিখ্যাত উপন্যাস ? না । আমি ওটা একমাসে লিখেছিলাম । ওটা অত্যন্ত খারাপ হয়েছিল । কিন্তু জীবনের বাকি দিনগুলোতে কখনো জন হজম্যানের সাথে টেড এর অনুষ্ঠানে দেখা হলে , আমাকে বলতে হতো না ,
(trg)="1"> අවුරුදු කීපයකට පෙර
(trg)="2"> මට දැනුනා මගේ ජීවිතය එකම තැන නතර වී ඇතිබව
(trg)="3"> එමනිසා මම තීරණය කලා , අනුගමනය කරන්නට පා සටහන්

(src)="2"> " আমি একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী । " না , না , আমি যদি চাই , আমি বলতে পারি , " আমি একজন ঔপন্যাসিক । " ( হাসি ) তাই শেষে এই একটা কথা বলতে চাই । আমি শিখেছি যে আমি যদি ছোট , স্থায়ী পরিবর্তন ঘটাই , যা আমি চালিয়ে যেতে পারি , সেগুলোর টিকে থাকার সম্ভাবনা বেশী । বড় , অত্যুৎসাহী চ্যালেঞ্জও খারাপ কিছু নয় । আসলে , তার মাঝে অনেক মজা আছে । কিন্তু সেগুলো টিকে থাকার সম্ভাবনা কম । আমি যখন ৩০ দিনের জন্য মিষ্টি খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলাম , একত্রিশতম দিনটা এমন ছিল । ( হাসি ) সুতরাং আপনাদের প্রতি আমার প্রশ্ন : আপনারা কিসের জন্যা অপেক্ষা করছেন ? আমি আপনাদের গ্যারান্টি দিচ্ছি আগামী ৩০ দিন ঠিক কেটে যাবে সে আপনি পছন্দ করুন বা না করুন , তাই এমন কিছুর কথা চিন্তা করুন না যা আপনি সবসময় করতে চাইতেন এবং সেটার জন্য একটু চেষ্টা করুন পরবর্তী ৩০ দিন । ধন্যবাদ । ( হাততালি )
(trg)="53"> " මම පරිගණක විද්‍යාඥයෙක් " කියල
(trg)="54"> නෑ නෑ , මට අවශ්‍යනම් මට කියන්නට හැකියි , " මම ලේකකයෙක් " කියල
(trg)="55"> ( සිනහව )

# bn/5tx1kFzgrJTO.xml.gz
# si/5tx1kFzgrJTO.xml.gz


(src)="1"> আমি এখানে একাধিক বিষয় নিয়ে কথা বলব যার সবটাই প্রাসঙ্গিক । কিছু ক্ষেত্রে, তার অনেকাংশ খুবই সহজ, কিন্তু সব মিলিয়ে এগুলো কখনও দ্বিধার সৃষ্টি করে । তবে, আশা করা যায়, আমরা অনেকদূর আগাতে পারব । সহজে বোঝার সুবিধার্থে ধরা যাক যে আমার কাছে কয়েক ধরণের পাত্র রয়েছে । মনে করি, সবগুলোই আমার পাত্র এবং তাদের মধ্যে , আমি কয়েকগুচ্ছ পানির অণু রেখেছি । এতে শুধুমাত্র কয়েকগুচ্ছ পানির অণু রয়েছে । যারা পরস্পরকে ধাক্কা দিচ্ছে । যেহেতু এটি তরল আকারে রয়েছে, তাই একে আমরা তরল পানি বলব । এবং এই পানির অনুর ভিতরে, মনে করি , কিছু চিনির অনুও রয়েছে । মনে করি, চিনির অণুগুলো গোলাপি রঙবিশিষ্ট । সুতরাং সেখানে কয়েকগুচ্ছ চিনির অণু রয়েছে । যদিও সেখানে অনেক পানির অনুও রয়েছে । ব্যাপারটিকে পরিষ্কারভাবে বুঝার চেষ্টা করি । আমরা যে পাত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করছিলাম, তাতে অসংখ্য পানির অণু বিদ্যমান আছে । বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি যে , পানি সেখানে দ্রাবক হিসেবে উপস্থিত আছে । এক্ষেত্রে, আরও বেশি পানির অনুর উপস্থিতি আরও দ্রাবকের উপস্থিতি প্রমাণ করে । আমরা এসব দ্রাবকের অণু নিয়ে গভীর আলচনায় যাচ্ছিনা কারণ তাতে করে মনে হতে পারে আবার নাও হতে পারে যে , এখন পর্যন্ত আলচনার যে মূল বিষয় , তা শুধুই দ্রাবক । সুতরাং এক্ষেত্রে পানি হচ্ছে দ্রাবক । এক্ষেত্রে যত যাই হোক না কেন, আমাদের আলোচ্য বিষয়ের জন্য চিনিকে আমরা দ্রবণীয় পদার্থ বলব । সুতরাং, প্রকৃত দ্রবণীয় পদার্থ হচ্ছে চিনি । কিন্তু চিনিই একমাত্র দ্রবণীয় পদার্থ নয় । দ্রবণটিতে পানি অপেক্ষা কম সংখ্যক অণুবিশিষ্ট যেকোনো পদার্থই দ্রবণীয় হতে পারে । এই দ্রবনের ক্ষেত্রে চিনি হচ্ছে সেই দ্রবণীয় পদার্থ । আর তাই আমরা বলি, চিনি পানিতে দ্রবীভূত হয়েছে । চিনি দ্রবিভুত, এবং সে দ্রবীভূত হয়েছে পানির ভিতরে । সামগ্রিকভাবে সেখানে যা ঘটেছে তাকে আমরা দ্রবন বলতে পারি । আমরা সমগ্রটিকে একটি দ্রবন বলব । এবং সকল দ্রবণে একটি দ্রাব্য ও একটি দ্রাবক থাকে । এখানে দ্রাবক ছিল পানি । এবং এই দ্রবীভূত করার কাজ সে ই করছে যেখানে চিনি দ্রবীভূত হচ্ছে । চিনি হচ্ছে দ্রাব্য । পূর্বের আলোচ্য সকল অংশ সবার মনে নাও থাকতে পারে কিন্তু আমি এটা বারবার আলোচনা করছি কারণ , আমি যে ব্যাপারটি নিয়ে কথা বলতে চাই, তা হল ব্যাপন ।
(trg)="2"> me maathruka siyallama ekineka sambandai
(trg)="3"> samahara awastha waladii me maathruka ithamath saralai , namuth
(trg)="4"> samahara awastha waladee meya obata gataluwak wennath puluwan

# bn/AynKvwOsKWlm.xml.gz
# si/AynKvwOsKWlm.xml.gz


(src)="1"> আমরা মানুষরা হাজার বছর ধরে শুধু আমাদের চারপাশের পরিবেশকে লক্ষ্য করে জেনে এসেছি যে অনেক ধরণের পদার্থ এখানে আছে এসব বিভিন্ন পদার্থের , বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য আছে শুধু যে ভিন্ন বৈশিষ্ট্য আছে তাই নয় একটি পদার্থ হয়তো নির্দিষ্টভাবে আলো প্রতিফলন করে অথবা করে না বা এর কোন নির্দিষ্ট রঙ বা নির্দিষ্ট তাপমাত্রা থাকতে পারে এটি কঠিন তরল বা গ্যাস হতে পারে কিন্তু আমরা এও লক্ষ্য করি তারা কিভাবে একে অপরের সাথে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বিক্রিয়া করে এখানে কিছু পদার্থের ছবি দেওয়া হলো এটি কার্বন এবং এটি কয়লা আকারে রয়েছে এটি হচ্ছে সীসা এবং এটি সোনা এখানে আমি যেসব ছবি দেখিয়েছি এই ওয়েবসাইট থেকে নিয়েছি এ সকল পদার্থ কঠিন অবস্থায় আছে এবং এগুলো দেখলে মনে তাদের ভেতরে বাতাস রয়েছে নির্দিষ্ট ধরণের বাতাসের কণা তুমি কি ধরণের বাতাসের কণা খুঁজচ্ছো তার উপর নির্ভর করে সেটার কি ধরণের বৈশিষ্ট্য রয়েছে । সেটা হয়তো অক্সিজেন , নাইট্রজেন বা কার্বন বা কিছু তরল পদার্থও হতে পারে তুমি যদি এদের তাপমাত্রা অধিক বাড়িয়ে দাও বা তুমি যদি সোনা বা সীসার তাপমাত্রা অধিক বাড়িয়ে দাও , তাহলে এগুলো তরলে পরিণত হবে । বা তুমি যদি কয়লা পোড়াও তাহলে এটি গ্যাসে পরিণত হবে , এই গ্যাস বায়ুমণ্ডলে নিষ্কৃতি হবে , এবং এর গঠন ভেঙে যাবে । এ সকল জিনিষ আমরা মানুষেরা হাজার বছর ধরে লক্ষ্য করে আসছি । এখানে একটি প্রশ্ন জাগে যেটি ছিল একটি দার্শনিক প্রশ্ন , কিন্তু এখন আমরা আরেকটু ভালো ভাবে এর উত্তর দিতে পারি , এবং প্রশ্নটি হচ্ছে তুমি যদি এই কার্বনটি ছোট ছোট অংশে ভাঙতে শুরু করো তাহলে কি এই পদার্থের ক্ষুদ্রতম , ক্ষুদ্রতম অংশটির কার্বনের বৈশিষ্ট্য থাকবে ? এবং তুমি যদি কোনভাবে সেই ক্ষুদ্রতম অংশটি আরো ভাঙ্গো তাহলে কি সেটা কার্বনের বৈশিষ্ট্য হারিয়ে ফেলবে ? এর উত্তর হচ্ছে না , হারাবে না । এবং পারিভাষিক শব্দে আমরা এই বিশুদ্ধ পদার্থদের যাদের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য আছে , নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় এবং নির্দিষ্ট্য ভাবে বিক্রিয়া দেয় , আমরা তাদের বলি মৌল । কার্বন একটি মৌল। সীসা একটি মৌল। সোনা একটি মৌল । তুমি হয়তা বা মনে করতে পারো , পানি একটি মৌল । এক সময় মানুষ তাই ভাবতো । কিন্তু এখন আমরা জানি পানি বিভিন্ন মৌল দ্বারা তৈরি । পানি অক্সিজেন এবং হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত । এবং এসকল মৌল , পর্যায় সরণিতে সাজানো আছে ।
(trg)="1"> මිනිසා අවුරුදු දහස් ගණනක සිට පරිසර අධ්‍යයනයක යෙදුනේය .
(trg)="2"> ඔබට දියර ලබාගතහැකියි .
(trg)="3"> C යන්නෙන් කාබන් නිරූපණය වෙනවා

(src)="3"> Au বলতে সোনা বোঝায় । এটা সীসা । এবং এ সকল মৌলের ক্ষুদ্রতম কণিকার নাম পরমাণু । তুমি যদি ভাঙতে ভাঙতে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতম অংশটি নিতে থাকো অবশেষে তুমি কার্বনের পরমাণু পাবে । এখানেও একই কাজ করো এবং শেষ পর্যন্ত সোনার পরমাণু পাবে । এখানে সেই একই কাজ করলে তুমি এই ক্ষুদ্র কণা পাবে , যেটি হচ্ছে সীসার পরমাণু । এবং এই পরমাণুকে আর ভাঙা যাবে না কিন্তু তবুও আমরা এই পরমাণুকে সীসা বলবো কেননা এটির মধ্যে সীসার বৈশিষ্ট্য রয়েছে । এবং তোমাদের একটি ধারণা দেওয়ার জন্য এটি কল্পনা করা কঠিন কিন্তু পরমাণু খুবই ছোট । আমাদের কল্পনার থেকেও অনেক ছোট । তো ধরা যাক কার্বন । আমার চুল কার্বন দিয়ে তৈরি আসলে আমার শরীরের বেশীর ভাগই কার্বন দিয়ে গঠিত বেশীর ভাগ জীবন্ত বস্তু কার্বন দিয়ে গঠিত তুমি যদি আমার চুল দেখ, আমার চুল কার্বন দিয়ে তৈরী । আমার চুলের বেশীর ভাগই কার্বন তুমি যদি আমার চুল এখানে দেখো আমার চুল হলুদ নয় কিন্তু কালোর সাথে ভালো মিশে । আমার চুল কালো কিন্তু তুমি সেটা স্ক্রিনে দেখতে পারবে না । কিন্তু তুমি যদি আমার চুল এখানে নিতে , আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করতাম আমার চুল কত কার্বন পরমাণু চওড়া ? তুমি যদি আমার চুলের প্রস্থচ্ছেদ নাও, দৈর্ঘ্য নয় আমার চুলের প্রশস্ত এবং আমি যদি বলি কত কার্বন পরমাণু চওড়া এটি ? তুমি হয়তো অনুমান করতে পারো , ও হ্যা সালমান তো আমাকে বলেছেই এটা খুব ছোট হয়তো হাজার খানেক কার্বন পরমাণু আছে এখানে । বা দশ হাজার বা একশো হাজার এবং আমি বলব , না ! এখানে দশ লক্ষ কার্বন পরমাণু রয়েছে । বা তুমি দশ লক্ষ কার্বন পরমাণু মানুষের একটি চুলের প্রস্থে সাজাতে পারো । এবং অবশ্যই এটা আমাদের একটি পরিমাপ , এখানে ঠিক দশ লক্ষ পরমাণু না থাকলেও তুমি একটি ধারণা পাচ্ছো একটি পরমাণু কত ছোট । মাথা থেকে একটি চুল ছেড়ে কল্পনা কর দশ লক্ষ জিনিষ তোমার চুলের পাশাপাশি রাখছো । চুলের দৈর্ঘ্যে নয় , প্রস্থে চুলের প্রস্থ দেখা আরো কঠিন এবং প্রায় দশ লক্ষ কার্বন পরমাণু এখানে আছে । বেশ মজারই তাই না ? আমরা জানি কার্বন এই মৌলিক পরমাণু দিয়ে গঠিত , যেকোন পদার্থই এই পরমাণু দিয়ে গঠিত । এবং আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে এই পরমাণু গুলো একে অপরের সাথে সম্পর্কিত । একটি কার্বন পরমাণু আরো অনেক মৌলিক কণা দিয়ে তৈরি একটি সোনার পরমাণুও আরো অনেক মৌলিক কণা দিয়ে তৈরী এবং তারা আসলে এই মৌলিক কণা দ্বারা পরিচিত । এবং তুমি যদি তোমার কাছে থাকা মৌলিক কণার সংখ্যা পরির্বতন করো তাহলে তুমি সেই মৌলের বৈশিষ্ট্যই , কিভাবে এটা বিক্রিয়া করবে , বা পুরো মৌলই বদলে ফেলতে পারো । এটা আরেকটু ভালোভাবে বোঝার জন্য , আমরা মৌলিক কণার ব্যাপারে কথা বলি । প্রটোন এবং প্রটোন আসলে পরমাণুর নিউক্লাসে যেই সংখ্যাক প্রটোন থাকে আমি নিউক্লাসের ব্যাপারে একটু পরই কথা বলব এবং মৌলের আসল পরিচয় এই প্রটোন । মৌলের আসল পরিচয় এই প্রটোন । তুমি যদি এখানে পর্যায় সরণি তে দেখ মৌলগুলো পারমাণবিক সংখ্যা অনুসারে সাজানো , এবং পারমানবিক সংখ্যা হচ্ছে মৌলে থাকা সর্বমোট প্রটোনের সংখ্যা । তো সঙ্গা অনুসারে হাড্রোজনের একটি প্রটোন আছে । হিলিয়াম এর আছে দুটি প্রটোন । কার্বনের ৬টি । তুমি কখনও কার্বন পাবে না যার ৭টি প্রটোন রয়েছে । যদি পাও তাহলে সেটা হবে নাট্রোজেন , সেটা তখন আর কার্বন থাকবে না । অক্সিজেনের ৮টি প্রটোন রয়েছে । তুমি যদি কোনভাবে সেখানে আরেকটি প্রটোন যুক্ত করো তাহলে সেটা আর অক্সিজেন থাকবেনা সেটা হয়ে যাবে ফ্লোরিন। তাই বলা যায় প্রটোন মৌলকে ব্যাখা করে তাই বলা যাই প্রটন মৌলকে ব্যাখা করে । এবং পরমাণবিক সংখ্যা হচ্ছে মোট সংখ্যক প্রটোন মনে রাখবে , প্রটোন সংখ্যা এই সংখ্যাটি পর্যায় সরণির প্রত্যেকটি মৌলের এইখানে উপরে লেখা থাকে প্রটোন সংখ্যা হচ্ছে পারমাণবিক সংখ্যার সমান পারমাণবিক সংখ্যার সমান । এই সংখ্যাটি এখানে উপরে লেখা হয় কারণ এটি একটি মৌলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখা করে পরমাণুর বাকি দুটো সদস্য কে আমরা বলি ইলেকট্রন এবং নিউট্রন । এবং পরমাণুর যেই ছবি তুমি তোমার মনে আঁকছো আমরা আরো যত সামনে আগাবো , সেটা একটু একটু করে জটিল হতে থাকবে এবং বুঝতে হয়তো একটু সমস্যা হতে পারে -- কিন্তু আমরা যদি এইভাবে চিন্তা করি যে প্রটোন এবং নিউট্রন পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত । তারা পরমাণুর নিউক্লিয়াস গঠন করে । যেমন কার্বনের ৬টি প্রটোন রয়েছে এক , দুই , তিন , চার, পাঁচ , ছয় কার্বন ১২ যেটি কার্বনের আরেক রুপ , তারও ৬টি নিউট্রন রয়েছে । কার্বনের বিভিন্ন রূপ থাকতে পারে যাদের ভিন্ন সংখ্যাক নিউট্রন রয়েছে তুমি নিউট্রন এবং ইলেকট্রন বদলালেও তুমি সেই একই মৌল পাবে । কিন্তু প্রটোন বদলাতে পারবে না । প্রটোন বদলালে তুমি নতুন আরেটি মৌল পাবে । তো আমি কার্বন ১২ এর নিউক্লিয়াস আঁকি এখানে । এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয় । এটা হচ্ছে কার্বন ১২ এর নিউক্লিয়াস । এবং মাঝে মাঝে এটা এভাবে লেখা থাকতে পারে , আবার মাঝে মধ্যে প্রটোন সংখ্যাও লিখা থাকতে পারে । এবং আমরা কার্বন ১২ লিখেছি আর তুমি জানো আমি এইখানে ৬টি নিউট্রন গুনেছি -- এবং আমরা কার্বন ১২ লিখেছি , কারণ এটি হচ্ছে সর্বমোট । তুমি এটাকে সর্বমোট হিসাবে
(trg)="4"> මගේ හිසකෙස් එහෙම්පිටින් ම වාගේ කාබන් .
(trg)="5"> ඉතින් ඔබ මගේ හිසකෙස් මෙතැනට අරන්ගියොත්
(trg)="6"> -- මගේ හිසකෙස් කහපාට නෑ හරිද ?

(src)="5"> -- এটা আসলে একটু কঠিন -- এবং আমরা আবার পদার্থবিজ্ঞানের অচেনা জগতে চলে যাচ্ছি আমরা একটু দেখি ইলেকট্রন আসলে কি করছে এখানে ইলেকট্রোন এমনভাবে ঘুরছে যে তারা নিউক্লিয়াসের মধ্যে পরে যায় না , এবং তুমি এ ভাবে চিন্তা করতে পারো । আমি কার্বন ১২ এর কথা বলেছি এখানে কিভাবে আমরা প্রটোন সংখ্যা দিয়ে ব্যাখা করেছি । অক্সিজেন ৮টি প্রটোন দিয়ে গঠিত আরেকটা জিনিষ হচ্ছে ইলেকট্রন আরেকটি ইলেকট্রনের সাথে মিথষ্ক্রিয়া করতে পারে অন্য একটি মৌল আরেকটি মৌলের ইলেকট্রনকে নিয়ে যেতে পারে । এবং এ জিনিষ গুলো রসয়ানকে বুঝতে সাহায্য করে . একটি পরমাণু বা মৌলের কতগুলো ইলেকট্রন আছে এবং সেখানে কিভাবে ইলেকট্রন গুলো সাজানো থাকে এবং অন্য মৌলের বা একই মৌলের অন্য পরমাণুতে ইলেকট্রন গুলো কিভাবে সাজানো থাকে তার উপর ভিত্তি করে আমরা ধারণা করতে পারি কিভাবে একটি পরমাণুর মৌল একে অপরের সাথে বা অন্য মৌলের পরমাণুর সাথে বিক্রিয়া দিবে বা তারা কিভাবে বন্ধন করবে বা করবে না অন্য মৌলের পরমাণুর দ্বারা আকর্ষিত হবে নাকি না । আমরা এ বিষয় সামনে আরো শিখব আমি একটি উদাহরণ দেই যেমন কার্বন থেকে একটি ইলেকট্রন অন্য একটি পরমাণু নিয়ে যেতে পারে , এর কারণ হচ্ছে কিছু কিছু মৌলে ইলেকট্রনের প্রতি অনেক আকর্ষণ থাকে । তো এরকম একটি মৌল যদি কার্বন থেকে একটি ইলেকট্রন নিয়ে যায় তখন কার্বনের প্রটোন সংখ্যা থেকে ইলেকট্রন সংখ্যা কমে যাবে , তখন আমাদের ৬টি প্রটোন এবং ৬টি ইলেকট্রন থাকবে । এবং আমাদের কাছে ধনাত্মক চার্জের পরিমাণ বেশী থাকবে । আমার কাছে কার্বন ১২ আছে যেটা আমি প্রথমে লিখেছিলাম এখানে ৬টি প্রটোন এবং ৬টি ইলেকট্রন আছে , যার কারণে তাদের মোট চার্জ শূন্য । যদি একটি ইলেকট্রন চলে যায় , তাহলে আমার কাছে ৫টি ইলেকট্রন থাকবে , এবং তখন আমার কাছে ধনাত্মক চার্জের পরিমাণ বেশী থাকবে আমরা এসব বিষয় সামনে আরো কথা বলবো এবং আমি আশা করি তোমরা এ জিনিষগুলো বুঝতে পারছো । আমরা পরমাণুর ব্যাপারে জেনেছি যেটি মৌল গঠনের প্রধান উপকরণ এবং আমরা দেখেছি এই পরমাণু আরো কত ছোট কণা দিয়ে তৈরি । এবং আমরা এ কণাগুলোর অবস্থান পরিবর্তন করে একটি মৌলের বৈশিষ্ট্য বদলে ফেলতে পারি বা একটি মৌলের পরমাণু থেকে অন্য একটি মৌল তৈরি করতে পারি ।
(trg)="10"> ඉතින් මේ කාබන් 12 පරමාණුවේ , මා මුලින් කළ එකේදි
(trg)="11"> එහි ප්‍රෝටෝන 6 , ඉලෙක්ට්‍රෝන 6ක් සමග නිෂ්ක්‍රීයව තිබුණා .
(trg)="12"> එක් ඉලෙක්ට්‍රෝනයක් අඩුවුණාම ඔක්කොම 5ක් වෙනවා ,