# bn/26N1RyhPb9S4.xml.gz
# ps/26N1RyhPb9S4.xml.gz
# bn/FCpKA4J3idHM.xml.gz
# ps/FCpKA4J3idHM.xml.gz
(src)="1"> সমস্যা নং ৭৫ একই বিমান বন্দর থেকে দুটি বিমান পরস্পর বিপরীত দিকে উড়ে গেলো দিক যদি একটি বিমানের গতি ঘন্টায় ৪০০ মাইল হয় , তাহলে airport ekti biman ei dike jay ghonaty 400 mile bege eta mile ... meter na ebong onno biman .. jar goti ghontay 250 mile ebong eti opor dike jawa shuru korlo ebong etake ami vector hishebe korchi ..
(trg)="1"> مسلہ نمبر ٧٥ دوا جہاز ائیرپورٹ نا روانہ شو پہ فرق ارکھ تا اوکو یو جہاز
# bn/G3Mcfu0B5hUN.xml.gz
# ps/G3Mcfu0B5hUN.xml.gz
(src)="1"> এই ভিডিও এবং এর পরেরটির উদ্দেশ্য হচ্ছে পৃথিবী এবং সৌরজগতের আকার সম্পর্কে একটা ধারণা দেয়া যদিও এরপর সৌরজগৎ ছাড়িয়ে গ্যালাক্সি এবং মহাবিশ্বের আকার আমাদের কল্পনাকেও হার মানাবে তারপরও চেষ্টা করতে তো ক্ষতি নেই যারা এখন ভিডিওটি দেখছো তাদের সবাই আশাকরি জানো যে এটা হচ্ছে পৃথিবী এটাই আমাদের আবাসভূমি আকার সম্পর্কে একটা প্রাথমিক ধারণা লাভের চেষ্টা করা যাক সম্ভবত দীর্ঘতম যে আকারটির সাথে আমরা খুব ভালভাবে পরিচিত তা হচ্ছে মোটামুটি ১০০ মাইল বা ১৬১ কিলোমিটার একটা গাড়িতে করে এক দেড় ঘণ্টায় আনুমানিক ১০০ মাইল যাওয়া যায় এবং পৃথিবীর ছবিটিতে এই আকার হবে মোটামুটি ´এতোটুকু´ এটা হবে একটা ছোট্ট দাগের মতো এই দাগটিই আনুমানিক ১০০ মাইল আকার সম্পর্কে আরেকটু পরিষ্কার হতে এমন একটা দ্রুতির কথা ভাবা যাক যা আমরা মোটামুটি ধারণা করতে পারি যে দ্রুতি বা বেগ সম্পর্কে আমাদের বেশ ভাল আইডিয়া আছে সম্ভবত একটা বুলেটের গতি এক্ষেত্রে ভাল উদাহরণ হ্যা , একটা বুলেটের বেগ সত্যি বলতে বুলেটের বেগ সম্পর্কেও আমাদের অতো ভাল আইডিয়া নেই তারপরও ধরে নিতে পারি এটাই দ্রুততম কিছু একটা যা সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি বুলেটের বেগ আনুমানিক ( তবে বুলেট তো অনেক রকমের হতে পারে একেক রকমের বুলেটের বেগও একেক রকম হতে পারে ) তবে বলা যায় এর গড়পরতা দ্রুতি প্রতি সেকেন্ডে ২৮০ মিটার বা প্রতি ঘণ্টায় ১০০০ কিলোমিটার জেট প্লেনের বেগও অনেকটা এরকম বুলেটের বেগের কাছাকাছি পুরো পৃথিবীর আকার সম্পর্কে ধারণা দিতে এর পরিধির দিকে নজর দেয়া যাক অর্থাৎ এক জায়গা থেকে শুরু করে পুরো পৃথিবী ঘুরে আবার সে জায়গায় ফিরে আসলে যে দূরত্ব পাওয়া যাবে সেই পরিধির মান হচ্ছে আনুমানিক ৪০ হাজার কিলোমিটার হ্যা , ৪০, ০০০ কিলোমিটার সুতরাং তুমি যদি একটি বুলেট বা একটি জেট প্লেনের বেগে চলতে থাকো অর্থাৎ ঘণ্টায় ১০০০ কিলোমিটার বেগে তাহলে পুরো পৃথিবী ঘুরে আসতে সময় লাগবে প্রায় ৪০ ঘণ্টা ৪০ ঘণ্টায় পৃথিবী ভ্রমণ সম্ভব এটা অবশ্য খুব বিস্ময়কর কিছু না তোমাদের কেউ হয়তো ১২ বা ১৫ ঘণ্টা প্লেন ভ্রমণ করেছো সে সময়ে পুরো পৃথিবী ঘুরে আসা না গেলেও বেশ অনেকটা দূরত্ব অতিক্রম করা যায় হয়তো সান ফ্রানসিস্কো থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত যাওয়া যায় সুতরাং এখন পর্যন্ত আকার গুলো আমাদের জন্য অতো বিস্ময়কর হয়ে উঠেনি অবশ্য আমার কাছে পৃথিবীকেই অবিশ্বাস্য রকমের বড় বস্তু মনে হয় আচ্ছা পৃথিবীর কথা তুলে রেখে এবার সূর্যের কথা ভাবা যাক কারণ সূর্যের আকার আরও অনেক অনেক বড় এই ছবিটি অবশ্যই সূর্যের এবং আশাকরি অধিকাংশ মানুষই জানে যে সূর্য পৃথিবী থেকে " অনেক " বড় এবং পৃথিবী থেকে তার দূরত্বও অনেক কিন্তু আমার মনে হয় অধিকাংশ মানুষ , এমনকি আমি নিজেও সূর্যের আকার বা পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের বিশালতা পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারি না সুতরাং একটা ধারণা দেয়া দরকার এখনই : সূর্যের পরিধি পৃথিবীর ১০৯ গুণ সূর্য পরিধির দিক দিয়ে পৃথিবীর ১০৯ গুণ বড় এখন সেই একই কাল্পনিক পরীক্ষাটি এখানে করা যাক আগেই জেনেছি আমি যদি একটি বুলেট বা জেট প্লেনের বেগে ছুটি তাহলে পুরো পৃথিবী ঘুরে আসতে সময় লাগবে ৪০ ঘণ্টা তাহলে সূর্যের ক্ষেত্রে কতক্ষণ লাগবে ? অর্থাৎ একটি জেট প্লেনে করে যদি আমরা সূর্যকে এক চক্কর ঘুরে দেখতে চাই বা কোনভাবে যদি একটি বুলেটের উপর চড়ে বসতে পারি সূর্য প্রদক্ষিণ করার জন্য তাহলে সূর্যের পুরো পরিধি একবার ঘুরে আসতে সময় লাগবে পৃথিবীর ক্ষেত্রে যতক্ষণ লেগেছিল তার ১০৯ গুণ সুতরাং প্রায় ১০০ গুণ বেশি সময় লাগবে ( আমি অবশ্য ১০৯ নিতে পারতাম , কিন্তু একটা আনুমানিক হিসাব করতে চাচ্ছি ) এটা পৃথিবীর পরিধির প্রায় ১০০ গুণ সুতরাং ১০০ গুণন ৪০ সমান ৪০০০ ৪ হাজার ঘণ্টা ! এবং ৪০০০ ঘণ্টা ঠিক কত দীর্ঘ তা বুঝতে আমার ক্যালকুলেটরটা বের করা যাক আসল হিসাবটাই করি চলো এটা পৃথিবীর পরিধির ১০৯ গুণ ১০৯ গুণন ৪০ ঘণ্টা যেটা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে আসার সময় তাহলে সূর্যের ক্ষেত্রে লাগবে ৪৩৬০ ঘণ্টা যদি আমরা একটি বুলেট বা জেট প্লেনের বেগে ছুটি এক দিনে আছে ২৪ ঘণ্টা যা থেকে পাওয়া যাচ্ছে ১৮১ দিন অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক বছর লেগে যাবে জেট প্লেনের বেগে সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে এটা লিখে রাখি অর্ধেক বছর ! অর্ধেক বছর ... সূর্য বিশাল সূর্য বিশাল ! অবশ্য এটা দেখেই খুব বেশি বিস্মিত হবে কিনা জানি না আকার সম্পর্কে আরেকটু পরিষ্কার ধারণা দেই এখানে সূর্যের আরেকটা ছবি আছে সূর্যের আরেকটা ছবি বাকি সৌর জগৎ নিয়ে আমরা পরের ভিডিওতে কথা বলব কিন্তু এখানে , এই আকারের স্কেলে সূর্য অন্তত আমার কম্পিউটারের পর্দায় সূর্যের ব্যাস হবে প্রায় ২০ ইঞ্চি অথচ পৃথিবী এখানের এই ছোট্ট বিন্দুটি কেবল একটি বৃষ্টির ফোটার চেয়েও ছোট এখানের এই ছোট্ট বিন্দুটিই পৃথিবী এই স্কেলে যদি পৃথিবী আঁকতে চাই যেখানে সূর্যের আকারই অনেক ছোট তাহলে পৃথিবী হবে মোটামুটি এরকম মাত্র এতটুকু বড় এখন এটা অবশ্য অতো স্পষ্ট মনে হচ্ছে না এখনো ক্লাস থ্রি বা ফোরে তো আমরা সবাই বিজ্ঞান প্রজেক্ট করেছি বা সৌরজগতের এমন ছবি তোমরা অনেক সময়ই দেখে থাকো কিন্তু স্পষ্ট বুঝতে পারো না যে গ্রহগুলো আসলে অনেক দূরে অবস্থিত আনুপাতিক আকার মেনে ছবিটা আঁকা হলেও দেখে যতটুকু মনে হচ্ছে গ্রহগুলো সূর্য থেকে তারচেয়ে অনেক বেশি দূরে পৃথিবী সূর্য থেকে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত অর্থাৎ পৃথিবী এই দূরত্বটুকু , সূর্য যদি এখানে হয় ঠিক এখানে , তাহলে তুমি এমনকি এই স্কেলে পৃথিবীকে দেখতেই পাবে না সূর্য এত ছোট হলে পৃথিবীকে এখানে দেখাই সম্ভব না এটা এক পিক্সেলও হবে না কিন্তু দূরত্বটা হবে ১৫ কোটি পৃথিবী থেকে ১৫ কোটি কিলোমিটার এবং ঠিক এই দূরত্বটাকেই বলা হয় এক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক একক পরের কয়েকটি ভিডিওতেও আমরা এই শব্দটা ব্যবহার করব কেবল এ কারণে যে দূরত্ব নিয়ে ভাবার ক্ষেত্রে এটা বেশি সুবিধাজনক এটাকে অনেক সময় সংক্ষেপে এইউ ডাকা হয় জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক একক ... এবং এই দূরত্বটা ঠিক কত বড় তা বোঝাতে আলোর কথা ধরা যাক , যার বেগ আমাদের কাছে মনে হয় প্রায় অসীম অর্থাৎ যাকে মুহূর্তের মাঝেই অনেক দূরে চলে যেতে দেখা যায় সেই আলো সূর্য থেকে পৃথিবীতে আসতে ৮ মিনিট সময় নেয় সূর্য যদি হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায় তাহলে তা পৃথিবী থেকে আমরা ৮ মিনিট পরে জানতে পারব কিংবা এই জেট প্লেনের মাধ্যমে ব্যাপারটা বোঝাতে গেলে আবার ক্যালকুলেটরটা নিয়ে আসা যাক আমরা এখানে কথা বলছি ১৫ কোটি নিয়ে ! এটা ১৫ কোটি কিলোমিটার আমাদের বেগ যদি হয় ঘণ্টায় ১০০০ কিলোমিটার তাহলে সময় লাগবে ১৫০ হাজার ঘণ্টা , বুলেট বা জেট প্লেনের বেগে সূর্যের কাছে পৌঁছাতে , আরও পরিষ্কার করতে দিন দিয়ে হিসাব করা যাক , একদিনে আছে ২৪ ঘণ্টা এটা হবে ৬২৫০ দিন , যাকে ৩৬৫ দিন দিয়ে ভাগ করলে পাই প্রায় ১৭ বছর সূর্যের দিকে একটা বুলেট ছুঁড়ে দিলে তা সূর্যের কাছে পৌঁছাতে ১৭ বছর সময় নেবে যদি বেগের কোন পরিবর্তন না হয় অর্থাৎ একটা বুলেট বা জেট প্লেন ১৭ বছরে পৃথিবী থেকে সূর্যে পৌঁছাতে পারবে ১৭ ... ১৭ বছর ... কিংবা অন্যভাবে দেখলে : আমার পর্দায় এই সূর্যের ছবিটার ব্যাস প্রায় ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি সঠিক আকারে আঁকলে এই ছোট্ট বিন্দু যেটা পৃথিবী এই ছোট্ট বিন্দু যদি দূরত্বটাও সঠিক স্কেলে আঁকি তাহলে এই ছোট্ট বিন্দুকে সূর্য থেকে ৫০ ফুট দূরে স্থাপন করতে হবে সূর্য থেকে ৫০- ৬০ ফুট বা ১৫- ১৮ মিটার দূরে যদি তোমরা সৌরজগতের দিকে তাকিয়ে থাকো এবং অবশ্যই সৌরজগতে আরও অনেক কিছু আছে সেগুলো নিয়ে পরের ভিডিওগুলোতে কথা বলব আমরা তাহলে এই বিন্দুটি তোমরা এমনকি দেখতেও পাবে না ! মনে হবে কেবল এই ছোট্ট ধূলির মত জিনিসটা সূর্যের চারদিকে উড়ে বেড়াচ্ছে এবং এই সৌর জগৎ থেকে আমরা যতো দূরে যাব ততোই দেখব এই ছোট্ট দূরত্বটাও কিম্ভূতকিমিকার রকমের ছোট হয়ে যাচ্ছে অন্যভাবে দেখলে সূর্যের আকার যদি হয় এতটুকু ঠিক এতটুকু তাহলে এই ছোট্ট বিন্দু অর্থাৎ এই আকারের পৃথিবীটা সূর্য থেকে প্রায় ২০০ ফুট বা ৬০ মিটার দূরে থাকবে একটা ফুটবল মাঠের কল্পনা করতে পার একটা ফুটবল মাঠের ক্ষেত্রে একটা ফুটবল মাঠ এঁকেই ফেলি এগুলো হচ্ছে শেষ সীমানা একটা সীমানা , আরেকটা সীমানা এবং তুমি যদি মেডিসিন বলের মতো আকারের কিছু একটা বাস্কেট বলের চেয়ে সামান্য বড় একটা বল এক সীমান্তে রাখো এই ছোট্ট বিন্দুটা হবে আনুমানিক ৬০ গজ বা ৬০ মিটার দূরে ফুটবল মাঠের সাপেক্ষে এই ছোট্ট বিন্দুটা অবশ্য তোমরা দেখতেই পাবে না অনেকটা এমন আকারের যাই হোক , আমি এখানেই ছেড়ে দিচ্ছি তোমাদের , আশাকরি এসব ভেবে তোমরা দিশেহারা হওয়া শুরু করেছ পৃথিবী ও সূর্য কত বড় এবং তাদের দূরত্ব কত বিশাল এরপর আমরা দেখব এই বিশাল দূরত্বগুলোও বাকি সৌরজগতের সাপেক্ষে কত ছোট হয়ে যায় বিশেষ করে আমরা আমরা যখন সৌরজগৎ ছাড়িয়ে আরও দূরে আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে শুরু করি
(trg)="1"> زما موخه د دغه فلم ده چې تاسو ته د يو څو لويو كيږي د مځکې او دا په څو لويو د لمر سيستم او د ، چې څنګه لوی عالم او ټول استرپ كېږو تصور ته دا ناشوني ده خو موږ به هڅه موږ پوهيږو دا ځمکه دا ځمکه
# bn/ILYX7EyUf6Yh.xml.gz
# ps/ILYX7EyUf6Yh.xml.gz
(src)="1"> আমার বয়স যখন ১১ আমার মনে আছে এক দিন সকালে জেগে উঠে দেখি বাসাতে আনন্দের আবহ বইছে আমার বাবা বিবিসি´র খবর শুনছিলেন তার ছোট ধুসর রঙের রেডিও´তে তার মুখে ছিল বিরাট হাসির চিহ্ন যা সচরাচর খুব কম দেখা যেত তার মাঝে কারণ অধিকাংশ খবরই তাকে নিরাশ করতো । বাবা চিৎকার করে বললেন , " তালেবানরা পালিয়ে গেছে । " তখন আমি জানতাম না কথাটার অর্থ কি , কিন্তু আমি বাবাকে ভীষণ উৎফুল্ল হতে দেখলাম । তিনি আমাকে বললেন , " তুমি এখন বিদ্যালয় এ যেতে পারবে " সেই সকালের কথা আমি কোনদিন ভুলবো না । সত্যিকারের বিদ্যালয়ে পড়াশুনা । তোমাদের বলি , আমার বয়স যখন ছয় তখন তালিবানরা আফগানিস্তান দখল করে নেয় এবং মেয়েদের বিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করে । তাই , পরবর্তী ৫ বছর আমি ছেলেদের বেশ ধরে আমার বড় বোনকে পাহারা দিয়ে গোপনে বিদ্যালয়ে নিয়ে যেতাম কারণ তখন মেয়ে একা বের হওয়া নিষেধ ছিল । আমাদের শিক্ষিত হবার জন্য এটাই ছিলো একমাত্র উপায় । প্রতিদিন আমরা ভিন্ন পথে রওনা হতাম যেন কেউ আমাদের সন্দেহ না করে যে আমরা কোথায় যাচ্ছি । বাজারের থলেতে আমাদের বইগুলো লুকিয়ে রাখতাম যেন বাইরে থেকে মনে হয় আমরা শুধু বাজার করার জন্য বের হয়েছি । বিদ্যালয়টি একটি বাসার মধ্যে ছিল , যেখানে আমরা ১০০ জন একটি ছোট কক্ষে গাদাগাদি করে থাকতাম । শীতকালে ভালই লাগত কিন্ত গ্রীষ্মে ভীষণ কষ্ট হত । আমরা সবাই - শিক্ষক , ছাত্রী এবং অভিভাবগবৃন্দ এটা বুঝতে পারতাম আমরা আমাদের জীবনের ঝুকি নিচ্ছি । তালেবানদের সন্দেহের কারণে প্রায়ই বিদ্যালয়টি এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ হয়ে যেত । আমরা শংকায় থাকতাম যে তালেবানরা আমাদের সম্পর্কে জেনে গেছে । তারা কি আমাদের অনুসরণ করছে ? তারা কি আমাদের অবস্থান সম্পর্কে জানে ? আমরা শঙ্কিত ছিলাম , কিন্তু তারপরও আমরা চাইতাম বিদ্যালয়টি থাকুক । আমার ভাগ্য ভালো যে এমন একটি পরিবারে বেড়ে উঠেছি যেখানে শিক্ষা ছিল আশির্বাদ আর মেয়েরা ছিল ঐশ্বর্য । আমার নানা তার সময়ের একজন অসামান্য মানুষ ছিলেন । আফগানিস্তানের প্রত্যন্ত গ্রামের একজন একরোখা মানুষ , যিনি তার মেয়ে , আমার মাকে , তার বাবার নিষেধ অমান্য করে জোর করে বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছিলেন । কিন্তু আমার শিক্ষিত মা একজন শিক্ষিকা হয়েছিলেন । এই যে তিনি এখানে । প্রতিবেশী মেয়েরা যেন পড়তে পারে তিনি ২ বছর আগে অবসর নিয়েছেন আমাদের বাসাতে বিদ্যালয় বানাতে । এবং আমার বাবা - এই যে তিনি - তিনি তার পরিবারের প্রথম যিনি শিক্ষিত হয়েছিলেন । তাদের সন্তানেরা এমনকি মেয়েরা নানা বাধা আর তালিবান হুমকির সত্তেও বিদ্যা অর্জন করবে , এ নিয়ে তাদের কোনো দ্বিধা ছিল না । তিনি অশিক্ষাকে সন্তানদের জন্য বিপদের কারণ মনে করতেন । আমার মনে আছে , তালিবান আমলে এমন একটা সময় ছিল আমি আমদের জীবন নিয়ে হতাশ হয়ে যেতাম আর সর্বদা অন্ধকার ভবিষৎ নিয়ে শংকিত থাকতাম । আমি হাল ছেড়ে দিতে চাইতাম , কিন্তু আমার বাবা , আমায় বলতেন , শোনো মেয়ে , তোমার জীবনে যা তোমার , তার সবকিছু তুমি হারিয়ে ফেলতে পারো । তোমার সম্পদ চুরি হয়ে যেতে পারে । যুদ্ধের কারণে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হতে পারে । কিন্তু তোমার শিক্ষার মত একটি সম্পদ চিরদিন তোমার কাছে রয়ে যাবে , আর তাই তোমার বিদ্যালয়ের বেতনের জন্য যদি আমাদের রক্ত বিক্রি করতে হয় , তবে আমরা তাই করব । তাই তুমি কি চাও না লেখাপড়া চালিয়ে যেতে ? এখন আমার বয়স ২২ বছর । এমন এক দেশে বেড়ে উঠেছি যা আজ ধংশপ্রাপ্ত যুগের পর যুগ যুদ্ধের ফলে । আমার মত ছয় শতাংশের কম নারী উচ্চ বিদ্যালয়ের গন্ডি পার হতে পেরেছে , আর আমার পরিবার যদি আমার শিক্ষার ব্যাপারে দায়িত্বশীল না হত , আমিও আজ তাদের মত হতাম । তাই আজ আমি মিডলবারি কলেজের একজন গর্বিত স্নাতক । ( হাততালি ) আমি যখন আফগানিস্তানে ফিরে আসি , আমাকে অভিনন্দন জানাতে প্রথম এগিয়ে আসেন আমার নানা , যিনি তার কন্যাদের শিক্ষিত করে তলার সাহস দেখানোর জন্য নির্বাসনে ছিলেন শুধু আমার ডিগ্রী অর্জনের জন্য তিনি যে গর্বিত ছিলেন তাই নয় , বরং আমি ছিলাম প্রথম ডিগ্রী অর্জনকারী নারী , এবং কাবুলের রাস্তায় তাকে সাথে নিয়ে গাড়ি চালানো প্রথম নারী । ( হাততালি ) আমার পরিবার আমার ওপর আস্থা রাখে । আমি বড় সপ্ন দেখি , কিন্তু আমার পরিবার তার থেকেও অনেক সপ্ন আমাকে নিয়ে দেখে । আর সে কারণেই আমি ১০x ১০ এর দুত হতে পেরেছি , যা নারী শিক্ষা নিয়ে বিশ্ব ব্যপী কর্মকান্ড পরিচালনা করে । সে কারণে আমি sola তে সম্পৃক্ত হয়েছি , যা আফগানিস্তানে মেয়েদের জন্য প্রথম এবং সম্ভবত একমাত্র বোর্ডিং স্কুল যেখানে মেয়েদের বিদ্যালয়ে যাওয়া এখনো ঝুকিপূর্ণ । আনন্দের বিষয় হলো আমি আমার স্কুলের ছাত্রীদের মাঝে সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ইচ্ছা দেখতে পাই । আর তাদের অভিভাবক ও বাবারা ঠিক সেই ভাবে প্রেরণা দেন , যেমনটা আমি পেয়েছি , সে হোক না যত বড় বাধা আর বিরোধিতার শংকা । আহমেদ সে রকম একজন বাবা । এটা তার আসল নাম নয় , কিন্তু সে আমার এক ছাত্রীর বাবা প্রায় এক মাস আগে আহমেদ ও তার মেয়ে যখন sola থেকে তাদের গ্রামে ফিরছিল , মাত্র কয়েক মিনিট এর জন্য রাস্তায় পুতে রাখা বোমার আক্রমন থেকে প্রাণে বেঁচে যায় । বাড়িতে ফিরে আসার সাথে সাথে তার বাড়ির ফোন বেজে উঠলো , অপরিচিত কন্ঠ তাকে হুমকি দিয়ে বলল আহমেদ যদি তার মেয়েকে আবার বিদ্যালয়ে পাঠায় , তারা আবার এমন আক্রমনের শিকার হবে । আহমেদ জবাব দিল , " যদি পারো , আমাকে এখনি মারো । " কিন্তু তোমাদের ভ্রান্ত বিশ্বাসের কারণে আমার মেয়ে ভবিষত আমি নষ্ট হতে দিব না আফগানিস্তান নেয়ে আমার উপলব্ধি এই যে এখানের কিছু ধারণা পশ্চিমা চিন্তার সম্পূর্ণ বিপরীত , যেমন আমার মত প্রতেকের সাফল্যের পিছনে বাবার ভূমিকা রয়েছে যিনি তার মেয়ের মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন ছিলেন আর মেয়ের সাফল্যের মাঝে নিজের সাফল্যে দেখতে পেয়েছিলেন । আমাদের সাফল্যের পিছনে মায়েদের কোনো ভূমিকা নেই ইটা বলা ভুল । বরং তারা তাদের মেয়েদের উজ্জল ভবিষৎ এর প্রথম উদোক্তা , কিন্তু আফগানিস্তানের মত সমাজের প্রেক্ষিতে পুরুষদের সাহায্য আমাদের একান্ত প্রয়োজন আমার মনে আছে, তালিবান আমলে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্তেও , শত শত মেয়ে বিদ্যালয়ে পড়তে যেত . কিন্তু আজ আফগানিস্তানে ত্রিশ লক্ষের অধিক মেয়ে বিদ্যালয়ে পড়তে যাচ্ছে । ( হাততালি ) আমেরিকায় থেকে আফগানিস্তাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ভাবে দেখায় । আমি দেখেছি আমেরিকানরা এই পরিবর্তনকে প্রচলিত ধারণা থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষণ মনে করে । আমার ভয় হয় এই পরিবর্তন বেশিদিন টিকবে না মার্কিন যৌথ বাহিনী চলে যাওয়ার পর । কিন্তু আফগানিস্তানে ফিরে আসার পর যখন দেখি , আমার বিদ্যালয়ে ছাত্রীরা আসছে এবং তাদের অভিভাবকবৃন্দ এখানে আসার প্রেরণা দিচ্ছে , আমি তখন প্রতিশ্রুতিময় ভবিষ্যৎ আর আমূল পরিবর্তনের আভাস পাই । আমার কাছে আফগানিস্তান একটি অসীম সম্ভাবনা ও প্রতিশ্রুতি´র দেশ এবং প্রতিটা দিন
(trg)="1"> زه چي يوولس کلنه وم ، زما په یاد دي چې یوه ورځ پخپل کور کې د خوشالۍ پر غږونو را و ویښه شوم . زما پلار د بي بي سي خبرونه اورېدل له خپلې وړوکې ، خړې رېډيو څخه د هغه په مخ پراخه موسکا وه چې هغه وختونو کې یوه غېرمعمولي خبره وه ، ځکه چې خبرونو به هغه اکثره وخت خپه کاوه . " طالبان لاړل . " زما پلار په چيغه ووېل . زه د دې خبرې په مانا نه پوهېدم ، خو ما لیدل چې پلار مې ډېر زیات خوشاله و . هغه وويل : " ته اوس سم ښوونځي ته تللاى شې . " هغه سهار به مې کله هم هېر نه شي . سم ښوونځي . زه شپږکلنه وم ، چې طالبانو افغانستان ونیو او د جینکو تعلیم يې غېرقانوني وګرځاوه نو تر راتلونکو پينځو کالونو پورې به زه د هلکانو په جامو کې له خپلې مشرې خور سره ، چې هغې ته اوس د کور نه د وتلو اجازه نه وه ، یوه پټ ښوونځي ته تلم . يواځې همدا طریقه وه چې موږ زدکړې ترلاسه کولاى شوې . موږ به هره ورځ په یوه بله لاره تللو چې څوک شک ونه کړي چې موږ چېرې تللو . موږ به خپل کتابونه د سودا په کڅوړو کې پټول نو داسې به ښکارېده چي ګواکې موږ د سودا لپاره روانې یو . ښوونځی په یوه کور کې و ، شاوخوا سل جينکۍ به په یوې کوټې ورننوتې وو . په ژمي به هغه ځای تود و خو په اوړي به ډېر زیات ګرم و . موږ ټول پوهېدو چې خپل ژوند مو په خطر کې اچولى که استاذان وو ، که زده کوونکې او که ميندې پلرونه وو . وخت په وخت به مو ښوونځى ناڅاپه تر یوې اوونۍ بند کړل شو ځکه چې طالبان پرې شکمن شوي وو . موږ به تل حيرانې وو چې دوى په موږ څه خبر شول . آیا دوى موږ تعقیبوي ؟ آیا دوى خبر دي چې موږ چېرې اوسېږو ؟ موږ به وېرېدلو خو بیا هم ښوونځی هملته و ، چې موږ ورتلل غوښتل . زه بختوره يم چي په داسې کورنۍ کې لويه شوې یم چې د تعلیم قدر پکې کېده او لوڼه پکې نازول کېدې . زما نیکه د خپل وخت یو غيرعادي سړی و . هغه د افغانستان د یوه لرې ولایت یو بیخي بېکسه سړى و هغه به ټینګار کاوه چې د هغه لور ، زما مور بايد ښوونځي ته ځي ، ځکه هغه خپل پلار له ځانه پردى کړی و . خو زما تعلیم یافته مور ښوونکې شوه وګورئ ! هاغه ده هغه دوه کاله مخکې تقاعد ( ریټایر ) شوه يواځې د دې لپاره چې زموږ کور د ګاونډ د جینکو او ښځو لپاره په ښوونځي بدل کړي او زما پلار - ګورئ دغه دى هغه پخپله کورنۍ کې لومړی کس و چې زدکړې يې کړې وې دا خبره یقیني وه چې د هغه بچیان به تعلیمونه کوي ، د لوڼو په ګډون برسېره پر دې چي طالبان وو او خطرونه وو هغه خپلو بچو ته په تعلیم نه ورکولو کې زیات خطرونه ليدل د طالبانو په وخت کې ، زما په یاد دي زه به کله کله له ژونده ډېره ناهيلې شوم او زه به تل ډېره وېرېدم او ما خپل راتلونکى نه لیده ما به غوښتل چي ښوونځی پرېږدم خو ، زما پلار هغه به ويل
(trg)="2"> - واوره ، زما لورکۍ تا نه د ژوند هر یو څیز ورکېدای شي . ستا پېسې غلا کېداى شي . چې جنګ شي نو کور پرېښودو ته مجبوره کېداى شې خو هغه یو څیز چې تل به له تا سره وي هغه دلته دی او که د ستا د ښوونځي د فیس ورکولو لپاره موږ د خپلې وینې خرڅولو ته هم اړ شو موږ به يې خرڅه کړو نو اوس هم ته نه غواړې تعلیم ته دوام ورکړې ؟ نن زه دوه ويشت کلنه يم زه په یوه داسې هېواد کې را لویه شوې یم چې د لسیزو اوږدو جګړو تباه کړی دی زما په همځولو کې تر شپږ فيصده کمې جینکۍ تر عالي لیسې وړاندې نه دي تللې او که زما کورنۍ پر تعلیم کلکه نه واى درېدلې زه به اوس د هغوى په شان وم خو برعکس ، زه دلته د ميډلبري کالج د فارغې په توګه په ویاړ ولاړه یم ( د ستاينې چکچکې ) زه چې افغانستان ته ستنه شوم زما نیکه ، هغه سړی چې د خپلو لوڼو د تعلیم يافته کولو په جرم له خپل کوره شړل شوی و لومړى کس و ، چې ما ته يې مبارکي وويله هغه نه یواځې زما د کالج ډګري په وياړ وستايله بلکې دا هم چې زه لومړۍ جینۍ وم چې داسې ډګري مي اخيستې او دا هم چې زه لومړۍ جینۍ یم چې هغه مي د کابل په کوڅو کې په موټر کې وګرځاوه ، چې ما چلاوه ( د ستاينې چکچې ) زما کورنۍ پر ما باور لري زه لوی خوبونه وینم ، خو زما کورنۍ زما لپاره تر ما هم ستر خوبونه ویني ځکه خو د ۱۰×۱۰ لپاره نړېواله سفیره یم چې د ښځو د تعلیم لپاره نړېواله مبارزه ده ځکه خو ما د ( سولې ) بنسټ کښېښود چې په افغانستان کې لومړنى او شاید یواځینى د جینکو ښوونځی دی چې استوګنځای هم لري په داسې يوه هېواد کې چې اوس هم د جینکو د زدکړو لپاره خوندي نه دی ډېره خوشالوونکې خبره دا ده چې زه پخپل ښوونځي کې داسې زده کوونکې وینم چې په ډېر همت سره له هرې موقعې ګټه اخلي او زه د هغوى ميندې پلرونه وینم په خاصه توګه پلرونه ، چې زما د پلار په شان پر سختو مخالفتونو برسېره ، د خپلو لوڼو ملاتړ کوي د مثال په توګه احمد : دا د هغه اصل نوم نه دی او زه نه شم کولای د هغه څېره تاسو ته وښيم خو احمد زما د يوې شاګردې پلار دی تر یوې میاشتې کم وخت مخکې ، دوى له ( سوله ) ښوونځي خپل کلي ته روان وو او د سړک پر غاړه له ښخ شوي بم نه یو څو مينټه لرې وو ، چې هغه و چاودېد احمد چي کور ته ورسېد ، ټيليفون ورته راغی يو کس غږېده ، چې هغه ته يې اخطار ورکاوه چې که خپله لور يې بیا ښوونځي ته واستوله نو دوى به بل برید پرې وکړي هغه ورته وويل : " که غواړې ، اوس مې و وژنه خو زه د خپلې لور راتلونکى نه شم خرابولاى ستاسو په زړو او تيارو فکرونو د افغانستان په اړه چي زه پوهه شوې یم هغه څه دي چي په غرب کې اکثر له پامه غورځول کیږي په موږ کې اکثره جینکۍ چې بریالۍ شوې دا د پلرونو برکت دي ځکه پلرونه دا مني ، چي لوڼې هم قدر لري او د هغوي بریا خپله بریا ګڼي زه دا نه وايم چې زموږ ميندې زموږ په بریا کې هېڅ رول نه لري په حقیقت ، اکثر ميندې وي چې د لور د ځلانده اینده لپاره لومړۍ خبره وړاندې کوي او په نورو يې مني خو د افغانستان په شان يوه ټولنه کې موږ بايد د سړيو ملاتړ و لرو د طالبانو په حکومت کې ښوونځو ته د تلونکو جینکو شمېر په سلګونو وو په یاد ولرئ ، د جینکو زدکړې غيرقانوني وې خو نن ، په افغانستان کې تر درې میلیونه زیاتې جینکۍ په ښوونځیو کې دي ( چکچکې ) افغانستان دلته له امریکې ډېر بل ډول ښکاري زه اورم ، امریکایان دا بدلونونه کلک نه ګڼي زه وېرېږم چې دا بدلونونه به د امریکايي ځواکونو تر وتلو وروسته زیات وخت دوام و نه لري خو کله چې زه بيرته افغانستان ته لاړه شم کله چي د خپل ښوونځي زده کوونکې ووینم او د هغوى ميندې پلرونه چې د هغوى ملاتړ کوي هغوى ته حوصله ورکوي ، نو يو هيله من سباوون او دوام لرونکي بدلونونه وینم زما لپاره افغانستان له هیلو او لامحدوده امکاناتو ډک هېواد دی او هره ورځ د ( سوله ) ښوونځي جینکۍ ما ته دا خبره کوي چې زما غوندې هغوى هم لوی خوبونه ویني مننه .
(src)="2"> SOLA ´র মেয়েরা আমাকে তা স্মরণ করিয়ে দেয় । আমার মত তারাও এখন বড় স্বপ্ন দেখছে । সবাইকে ধন্যবাদ । ( হাততালি )
(trg)="3"> ( د ستاينې چکچکې )
# bn/LbI1xrmTN9vN.xml.gz
# ps/LbI1xrmTN9vN.xml.gz
(src)="1"> গ , সা , গু শিখতে আপনাকে স্বাগতম অথবা সরল গুনিতক ভিডিও । বুঝিয়ে বলতে , সবার আগে , কেউ যদি তোমাকে জিগেস করে ১২ এবং ৮ এর গ , সা , গু কত ? অথবা ১২ এবং ৮ এর সরল গুনিতক কত ?
(trg)="1"> خوش آمدید به بزرگترین رایج در مقسوم علیه یا ویدیو بزرگترین عامل مشترک
# bn/N7xWAeRElMuo.xml.gz
# ps/N7xWAeRElMuo.xml.gz